• Home
  • Webinars
  • Resources
  • Projects
  • Ask the Expert
  • FAQs
  • Contact
  • About
Times Decrypt
  • Home
  • Webinars
  • Resources
  • Projects
  • Ask the Expert
  • FAQs
  • Contact
  • About

এনএফটি দিয়ে ডিজিটাল আর্ট কেনাবেচা ক্রিপ্টো প্রযুক্তিতে

Times of India
Written by

Times of India, Editorial

Published: Jan 21, 2022 05:25 PM

গোটা বিশ্ব যত বেশি করে অনলাইনের দিকে এগোচ্ছে, কোনও ডিজিটাল সম্পত্তি নিয়ে বড়াই করার অধিকারও অনলাইন হচ্ছে এনএফটির মাধ্যমে

■ এনএফটি বা বিনিময়যোগ্য নয় এমন টোকেন হল বিশেষ ধরনের ডিজিটাল টোকেন যা ব্লকচেন-নির্ভর। ব্লকচেন নেটওয়ার্কেই ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরি ও লেনদেন হয়

■ ছবি, ভিডিয়ো, গান প্রভৃতি যা কিছু ডিজিটাল তা সবই এনএফটিতে রূপান্তরিত ও বিক্রি করা যায়

■ এনএফটি নিজে কোনও ডিজিটাল আর্ট বা শিল্পকলা নয়। বরং, বলা ভাল, এনএফটি হল যে কোনও ডিজিটাল শিল্পকলা কেনাবেচা করার জন্য অথেন্টিসিটি সার্টিফিকেট

■ ক্রিপ্টোর মতোই এনএফটি কেনাবেচার ক্ষেত্রেও কোনও আইনি সমর্থন এখনও অবধি নেই। আইনি নিয়ন্ত্রণ না থাকায় ক্রিপ্টোর মতো এনএফটি লেনদেনেও দর কারচুপির আশঙ্কা থেকে যায়

■ গত বছর (২০২১) থেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সির পাশাপাশি এনএফটিও লগ্নিকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কেননা, এই ডিজিটাল টোকেন (এনএফটি) কিনে লগ্নিকারীরা নিজেদের বড়াই করতে পারেন

■ সবচেয়ে দামি এনএফটি হল ৫০০০ ফটোর একটি ডিজিটাল কোলাজ। গত বছর (২০২১) মার্চ মাসে ওই কোলাজটি বিক্রি হয়েছিল ৬.৯ কোটি মার্কিন ডলারে

■ টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডোরসি, অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, এমনকী কোকা কোলা ও গুচ্চির মতো নামী ব্র্যান্ডগুলিও এনএফটি বিক্রি করেছে

এই সময়: গত বছর মার্চ মাসে বিখ্যাত শিল্পী ভি এস গাইতোণ্ডের একটি তৈলচিত্র ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। ওটাই ছিল এ যাবৎ সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হওয়া কোনও ভারতীয় চারুকলা।

ওই মাসেই আন্তর্জাতিক নিলাম সংস্থা ক্রিস্টিজ প্রথমবার একটি ডিজিটাল আর্ট (শিল্পকলা) বিক্রি করে যার দাম ওঠে ৬.৯ কোটি মার্কিন ডলার! এই ঘটনা সেদিন শুধু একটি নজির সৃষ্টিই করেনি, ব্লকচেন প্রযুক্তিতে তৈরি এনএফটির জনপ্রিয়তা তৎক্ষণাৎ গোটা বিশ্বে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

কোনও নির্দিষ্ট শো-এর সিনেমার টিকিট যেমন ওই শো-এর পর আর বিনিময় করা যায় না, তেমনি এনএফটিও হল ব্লকচেন নেটওয়ার্কে মজুত করে রাখা অবিনিময়যোগ্য ডিজিটাল টোকেন। ক্রিপ্টোকারেন্সিও কেনাবেচা হয় ওই ব্লকচেন নেটওয়ার্কেই।

যা কিছু ডিজিটাল -- ছবি, ভিডিয়ো, মিউজিক, এমনকী এই প্রতিবেদনের অনলাইন সংস্করণও -- সবই এনএফটিতে রূপান্তরিত করে বিক্রি করা যায়। এনএফটি নিজে কোনও ডিজিটাল আর্ট বা শিল্পকলা নয়। এনএফটি হল 'সার্টিফিকেট অফ অথেনটিসিটি' বা কোনও ডিজিটাল বস্তুর খাঁটিত্বের প্রমাণপত্র। বেশির ভাগ ব্যক্তি বা সংস্থাই ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথেরিয়ামের ব্লকচেন ব্যবহার করে এনএফটি কেনাবেচা করেন।

কিন্তু, ক্রিপ্টোকারেন্সির মতোই এনএফটি কেনাবেচার ক্ষেত্রেও এখনও অবধি আইনি সমর্থন নেই। আর, কোনও আইনি নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ না থাকার অর্থ এনএফটি কেনাবেচায় দর কারচুপির সম্ভাবনা যথেষ্ট।

ইন্টারনেট ব্যবহার এবং ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লগ্নি করার হিড়িকের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এনএফটির জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। এনএফটি কেনাবেচার মার্কেটপ্লেস চিঙ্গারি'র সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও সুমিত ঘোষের কথায়, 'বহু লগ্নিকারী যারা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে টাকা ঢেলে ছিলেন, তাঁরা এনএফটিতে লগ্নি শুরু করেন বিনিয়োগের নতুন বিকল্প মাধ্যম হিসাবে। এনএফটির জনপ্রিয়তা আরও বাড়ে যখন টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডোরসি, প্যারিস হিল্টন ও স্নুপ ডগ এনএফটি বিক্রি করেন।' উল্লেখ্য, গত বছর অক্টোবর মাসে বলিউড অভিনেতা সলমন খান চিঙ্গারি'র উদ্বোধন করেন।

শিল্পকলা (বিশেষ করে, চারুশিল্প) বা স্মারক সংগ্রাহকরা বাদ দিলে, অনেকে কেবল ফাটকা কারবারের উদ্দেশ্যে এনএফটি কিনেছেন। ব্লকচেন অ্যান্ড ক্রিপ্টো অ্যাসেটস কাউন্সিলের (বিএসিসি) সদস্য তথা এক্সফাইনাইটের চিফ ইকোসিস্টেম অফিসার সন্তোষ ইয়েল্লাজোসুলা বলেন, 'ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার যত বেড়েছে এনএফটির জনপ্রিয়তা পাল্লা দিয়ে বেড়েছে।' তবে, তাঁর আশঙ্কা, এনএফটির বাজার শীঘ্র পড়তে পারে।

অতিমারীর সময় লকডাউনে ডিজিটাল আর্টের প্রতি মানুষের যে আগ্রহ বেড়েছিল সেটাও এনএফটির জনপ্রিয়তা বাড়াতে ইন্ধন জুগিয়েছে। কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং মেধাসত্ত্বের (ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি) অধিকারীরা এনএফটির মাধ্যমে নিজেদের কাজ কোনও মধ্যস্বত্ত্বভোগী ছাড়াই বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতে পেরেছেন। এনএফটি যত বার কেনাবেচা হয়েছে তত বার তাঁরা রয়্যালটি পেয়েছেন।

একটি ইন্ডিয়ান স্পোর্টস এনএফটি কোম্পানির সিইও'র কথায়, 'এনএফটি ডিজিটাল অ্যাসেটকে দুর্লভ ও যাচাইযোগ্য করে তুলতে সাহায্য করেছে। ডিজিটাল কন্টেন্টকে ছোট টুকরোয় ভাগ করে এবং তা বিক্রয়যোগ্য করে তুলে মেধাসত্ত্বকে সহজে নগদে রূপান্তরযোগ্য করেছে।'

বিশ্বের সবচেয়ে দামি এনএফটি -- ক্রিস্টিজের বিক্রি করা মার্কিন শিল্পী বিপল-এর ৫০০০ ছবির একটি কোলাজ -- যে কেউ ডাউনলোড করে চোখের দেখা দেখতে পারেন। কিন্তু, ওই কোলাজটির মালিক কেবল একজনই -- যিনি ওই এনএফটি কিনেছেন। ওই মালিকানার তথ্য এনএফটির মাধ্যমে একটি ব্লকচেন নেটওয়ার্কে মজুত থেকে যায়।

সংবাদসংস্থা রয়টার্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে মোট ২৫০০ কোটি ডলার মূল্যের এনএফটি কেনাবেচা হয়েছিল। তার আগের বছর হয়েছিল মাত্র ৯.৫ কোটি ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা বিশ্ব যত বেশি করে অনলাইনের দিকে এগোচ্ছে, কোনও ডিজিটাল সম্পত্তি নিয়ে বড়াই করার অধিকারও অনলাইন হচ্ছে এনএফটির মাধ্যমে।

গত নভেম্বর মাসে অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন 'মধুশালা' কবিতাটির একটি রেকর্ডেড আবৃত্তি নিলাম করেন। সলমন খান, সোনু নিগমের মতো অন্য সেলিব্রিটিরাও নিজেদের এনএফটি এনেছেন।

#bengali

Share the article on:

  • Facebook
  • Twitter
  • LinkedIn
  • WhatsApp

Related articles

  • আইন বিশেষজ্ঞদের মতে এখন আর তা করা সম্ভব নয়
  • বিকল্প মুদ্রার মান্যতায় না, সম্পত্তির
  • কোন গোত্রে ক্রিপ্টো, সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি অনেক দেশই
  • ক্রিপ্টোয় লগ্নি ঝুঁকি জেনেও ব্লকচেনে মজেছে তরুণ প্রজন্ম

Top categories

  • Crypto NEWS
  • Cryptocurrency
  • Blockchain
  • Economic
  • Legal

Read in your language

  • Bengali
  • Gujarati
  • Hindi
  • Kannada
  • Marathi

Stay up to date

Subscribe to our newsletter

Resources

  • Blockchain
  • Cryptocurrency
  • Legal
  • Crypto NEWS
  • Featured Videos

Important links

  • Ask an Expert
  • Webinars
  • About
  • Resources
  • Contact

Follow us

Catch the exclusive Times Decrypt coverage in TOI newspaper every Wednesday.

To start the doorstep delivery of your copy of TOI, visit subscribe.timesgroup.com

© Times Decrypt - All rights reserved. Powered by Leo Digital